কিভাবে আলু ভাজি করা হয়

আলু খুব জনপ্রিয় সুস্বাদু একটি খাবার। আমরা সবাই কম বেশি বিভিন্ন পদ্ধতিতে আলুর ব্যাবহার করে থাকি। আলু আমরা নানা উপায়ে তৈরি করে খেতে পারি। এটি শিশুদের জন্য উপকারী খাবার। আর শিশুরাও আলু খুব পছন্দ করে। আলু আমাদের শরিরের জন্যেও খুব ভালো, এতে স্নেহজাতীয় উপাদান, শর্করা এবং খাদ্যবল চাল ও গমের চেয়ে অনেক কম, তাই যারা স্থুলদেহী কিংবা মুটিয়ে যাওয়ার ভয়ে ভীত অথবা কায়িক শ্রম খুব কম করেন তাদের ভাতের বদলে আলু খাওয়া ভালো। আলু দিয়ে বিভিন্ন রকমের পদ বা আইটেম তৈরি করা যায় ।

 

আলু দিয়ে তৈরি করা যায় এমন একটি আইটেম হল- আলু ভাজি। আলু ভাজি খুব সহজে তৈরি করা যায়। কেননা  আলু ভাজি করার নিয়ম খুব কঠিন নয়। আলু ভাজি করে আমরা ভাত, রুটি, পরোটা ইত্যাদির সাথে খেতে পারি। তাড়াতাড়ি নাস্তা সারতে চাইলেও আলু ভাজি করে নাস্তা করতে পারি।

তাহলে চলুন জেনে নেই কিভাবে আলু ভাজি করতে হয় বা আলু ভাজি করার নিয়ম এবং আলু ভাজি করতে কি কি উপকরন লাগবে।

  • ৩০০ গ্রাম আলু ভাজি কুচি করে কেটে নিবো।
  • আদা কাপ পেয়াজ কুঁচি করে নিবো।
  • হলুদ গুড়া নিব আদা চা চামচ।
  • কাঁচা মরিচ পালি ৪-৫ টি।
  • কিছু ফ্রেশ ধনিয়া পাতা।
  • আরো লাগবে পরিমান মত তেল।

যেভাবে রান্না করবেন আলু ভাজি বা আলু ভাজি করার নিয়মঃ

প্রথমে কড়াইতে তিন টেবিল চামচ তেল গরম করে পেয়াজ কুঁচি দিয়া দিব। এবার পেয়াজ কুঁচি গুলো হালকা বাদামি করে বেজে নিব।হালকা বাদামি হলে তাতে আলু কুচি দিয়া সেই সাথে হলুদের গুড়া এবং লবণ দিয়ে দিব পরিমাণ মতো। কাঁচা মরিচ পালি গুলো দিয়ে দিব।এখন সব উপকরণ গুলো একসাথে ভালো ভাবে নেড়ে নিব।

দুই মিনিট এর মতো নেড়ে ভলো করে ঢাকনা দিয়া রাখবো। ৫ মিনিটের মত অপেক্ষা করব, তারপর ঢাকনা উঠিয়ে দেখবো আলু সিদ্ধ হল কিনা। আরো কিছু সময় ধরে নেড়েচেড়ে দেখব যে ভালকরে সিদ্ধ হল কিনা, সবকিছু পরিমান মত হয়েছে কিনা। সব কিছু ঠিক থাকলে আর সিদ্ধ হয়ে আসলে ধনিয়া পাতা দিয়ে নামিয়ে ফেলব।

আলু ভাজি করা তো হয়ে গেলো, এবার গরম গরম খেতে বসুন, অতিথি থাকলে পরিবেশন করুন। আর মনে রাখবেন আলু ভাজি করার নিয়ম মেনে আলু ভাজি করলে আলু ভাজিতে মাংসের ছেয়েও বেশি স্বাদ লাগে। তাই আলু ভাজি করার নিয়ম জেনে আলু ভাজি করুন।

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.