কিভাবে বাচ্চাদের পড়াতে হয়

অভিভাবকদের কর্তব্য প্রায় সময় বাচ্চার সঙ্গে সময় কাটানো তাদের পড়ানো। তাই শিশুর সাথে মত বিনিময় করুন। একসাথে আহার করুন, কল্পবিজ্ঞান ও কমিক্সের বই পড়তে দিন। ছড়ার বই বেশি পড়ান। খেলাধূলা ও ব্যায়ামের দিকে লক্ষ্য রাখুন।  আপনি ওকে বই বন্ধ করতে বলে একটু করে পড়া ধরুন। বারবার পড়া দিন, বুঝিয়ে দিন। গতদিনের পড়ার বিষয়ে মনে করতে বলুন। এছাড়া কিভাবে বাচ্চাদের পড়াতে হয় জানতে নিচের বিষয়গুলোর উপর নজর দিনঃ

১। গৃহের অশিক্ষার পরিবেশ থেকে দূরে রাখুন।

২। ছেলে-মেয়েরা যাতে বাজে আড্ডায় না যায় সেদিকে লক্ষ্য রাখুন।

৩। অসৎ সংগ  ত্যাগ করান।

৪। ছেলেমেয়েদের হেয় প্রতিপন্ন করবেন না।

৫। ভালবাসা দিয়ে বুঝিয়ে সুঝিয়ে পড়ান।

৬। শিক্ষকের প্রতি ভীতি ত্যাগ করান।

৭। বিদ্যালয়ের পরিবেশকে সুস্থ রাখুন।

৮। সম্পর্ক মধুর করুন। পরস্পর পরস্পরকে ভালবাসুন।

৯। যে পড়ালেখায় একটু কাঁচা, তাকে পৃথক ভাবে ধীরে ধীরে তার

     শ্রেনীর যোগ্য করুন।

১০। ছেলে-মেয়ের পড়াশুনার প্রশংসা করুন।

১২। ছেলেমেয়েদের রঙ্গিন ছবিযুক্ত ভাল ভাল বই কিনে দিন।

       শিক্ষামূলক মজার মজার বই হাতে দিন।

১৩। ছেলে-মেয়েদের মধ্যে শিক্ষাপোযোগী সিন্টিমেন্ট তৈরি করুন।

       তাতে তার স্বতঃস্ফূর্ত মনোযোগ সৃষ্টি হবে।

১৪। ইতিহাস ও ভূগোলে বিশেষ জ্ঞান করাতে কিশোর বয়স্ক

      ছেলেমেয়েদের ঐতিহাসিক গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ও বিভিন্ন ভৌগলিক   

      স্থানে নিয়ে যান।

১৫। অংকের প্রতি বিশেষ মনোযোগী করে তুলুন।

১৬। ছেলেমেয়েদের শিক্ষায় উন্নতি  করতে হলে মাঝে মাঝে পরীক্ষা

        নিন।

১৭। ফেল করেছে বলে সেন্টিমেন্টাল কথা বলবেন না।

১৮। সবসময় ছেলেমেয়েদের কাছে গাম্ভীর্য নিয়ে থাকবেন

১৯। ছেলেমেয়েকে ভাল ভাবে পর্যবেক্ষন করুন। কোথায় সমস্যা বের  

        করুন।

২০। কঠিন কোন মানসিক বা শারীরিক সমস্যা থাকলে ডাক্তার

       দেখান।

২১। ছেলের ভাল কাজের প্রসংশা করুন।

২২। সৃজনশীল কিছু করতে উৎসাহিত করান।

২৩। ছেলের সাথে বন্ধু হয়ে যান।