কীভাবে ছাত্রজীবনে প্রেম থেকে দূরে থাকবেন

ছাত্রজীবনে প্রেম সাফল্যের সম্ভাবনাকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দেয়। অনেক প্রতিভাবান তরুণ-তরুণীর সম্ভাবনা নস্ট হয়ে গেছে শুধু এই প্রেম নামক মোহের কারনে। একধরনের নিঃসঙ্গতা থেকে অনেকে এই ধংসাত্মক আবেগে পড়ে যায়। আসেপাশের সবাইকে দেখে মনে করে, শুধু আমার জীবনেই কেউ নাই। এই যে নিঃসঙ্গতা , এটা থেকে কেউ এগিয়ে যাওয়ার প্রেরনা পায় আবার কেউ হতাশায় নিমজ্জিত হয়। আবার অনেকে মনে করে প্রেম করলে বোধহয় নিঃসঙ্গতা থাকবেনা, কিন্তু এই প্রেম আসলে ছাত্রজীবনে যেমন নিজেকে পরিবার থেকে দূরে নিয়ে যায়, তেমনি জীবনকে এলোমেলো করে দেয়। তাই কীভাবে ছাত্রজীবনে প্রেম থেকে দূরে থাকা যায় আসুন জেনে নেই সেই সূত্রগুলোঃ

ভালো কিছুর সাথে সম্পৃক্ত হোনঃ

একটু অবসর পেলে ছাত্র-ছাত্রীরা কাউকে ফোন করে, মেসেজ পাঠায়, রাতভর ফ্রী কথা বলার সুযোগ নিয়ে মোবাইল নিয়ে ব্যস্ত থাকে। কিন্তু যে ছাত্র-ছাত্রীরা বুদ্ধিমান,তারা নিজেদের নিঃসঙ্গতাকে দূর করার জন্য ভালো কিছুর সাথে যুক্ত হয়। এই ভালো কোন কাজ হতে পারে, বই হতে পারে, ইবাদত হতে পারে। তাই নিজেকে ভাল কিছুর সাথে সম্পৃক্ত করুন।

ক্ষতিকর বন্ধুত্ব থেকে দূরে থাকুনঃ

কারও সাথে কথা হলে, দেখা হলেই সে বন্ধু নয়। অনেক বন্ধু-বান্ধব আছেন যারা লেজ কাটা শেয়ালের মত। নিজেরা প্রেম নামক মোহে যুক্ত হয়ে অন্যদের ও প্রভাবিত করতে পারে , মন্ত্রনা দিতে পারে, লেজ হারানোর ফাঁদের পা দিতে। তাই এসব আত্মঘাতি বন্ধুত্ব থেকে দূরে থাকুন।

সম্পর্কের ধরনে সচেতন হোনঃ

ছাত্রজীবনে ছেলে-মেয়েদের মধ্যে স্বাভাবিক সুসম্পর্ক থাকবে। আর সেটা যদি সহপাঠী হয় তাহলে সহপাঠী সুলভ, প্রতিবেশি হলে প্রতিবেশি সুলভ, আত্মীয় হলে আত্মীয় সুলভ। অর্থাৎ সে প্রেক্ষাপটে হওয়া উচিত।

প্রেমজনিত সমস্যা এড়িয়ে চলুনঃ

একজন শিক্ষার্থীর মূল কাজ হচ্ছে পড়াশুনা করা।পড়াশুনা বাদ দিয়ে অন্য যে কোন কাজই ভাল পড়াশুনার পথকে বাধাগ্রস্ত করবে। প্রেমজনিত সমস্যা যখনই দেখবেন, এটা থেকে দূরে থাকবেন। বুঝবেন যে এটা রোগ, একধরনের অসুস্থতা।

প্রো-একটিভ থাকুনঃ

এই যুগে ২/৪ টা প্রেম না থাকলে সবাই আনস্মার্ট ভাববে, খ্যাত ভাববে- ভাবুক। যারা ভাববে তারা  নিজেদের লেজ হারিয়ে অন্যদের সে পথে নিতে চাচ্ছে। অতএব অন্যের দ্বারা প্রভাবিত না হয়ে প্রো-একটিভ থাকুন।

লক্ষ্যকে বড় রাখুনঃ

জীবনের লক্ষ্যকে উঁচু রাখলে, এই সব হাবিজাবি বিষয়, মস্তিষ্ক থেকে দূরে থাকবে।