কিভাবে করলা ভাজি করা হয়

করলা খুব উপকারি সবজি। আমাদের স্বাস্থ্য ভাল রাখার জন্য করলার গুনাগুন অত্যাধিক। এছাড়া করলায় থাকা ভিটামিন-সি মানব স্বাস্থ্যকে ভাল রাখার পাশাপাশি আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও মূত্রথলি ভাল রাখতে সাহায্য করে।

এসব নানা উপকারে আমরা করলার ব্যবহার করলেও যদি ভালোভাবে করলা ভাজি করা যায় বা করলা রান্না করা যায় তাহলে স্বাদের দিকেও অনেক সুস্বাদু হয় এই করলা ভাজি। তাই এসব প্রয়োজনীয়তার কথা ভেবেই- আজ আপনাদের সাথে করলা ভাজি করার নিয়ম সম্পর্কে শেয়ার করতে চলেছি।

  • ২৫০ গ্রাম করলা ভাজি করার জন্য যেসব উপকরণ লাগবেঃ-

১। করলা- ২৫০ গ্রাম।

২। আলু- ১/২ টি- (চিকন করে কেটে যদি দিতে চান)

৩। তৈল- ৬ টেবিল চামচ বা পরিমাণ মত।

৪। পেঁয়াজ- ৩/৪ টি- কুচি করে।

৫। লবন- পরিমাণ মত।

৬। কাঁচা মরিচ-৩/৪ টি- ফালি করা।

৭। হলুদ গুড়ো- পরিমানমত না দিলেও চলবে।

করলা ভাজি বসানোর আগে করলা ধুয়ে কেটে নিতে হবে। সেই সাথে অন্যান্য উপকরণ যেগুলো ধোয়া বা পরিষ্কার করার প্রয়োজন আছে সেগুলো ধুয়ে কেটে বা প্রসেস করে রাখতে হবে।

  • রান্না পদ্ধতি

চুলা জ্বালানোর পর মিডিয়াম বা ছোট সাইজের কড়াই নিতে হবে ২৫০ গ্রাম করলা ভাজি করার জন্য। যে কোন ধরনের ভাজি বা করলা ভাজি করার জন্য অল্প অল্প জ্বাল বা আগুনে রান্না করা ভাল। এতে সময় একটু বেশি লাগলেও করলা ভাজি পুড়ে কালচে হয়ে যাবে না।

২৫০ গ্রাম করলা ভাজি করার জন্য কড়াইতে ৬ টেবিল চামচ তেল বা পরিমাণ মত তেল মোটামুটি গরম হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। তেল হালকা গরম হলেও এতে, পেঁয়াজ কুচি, কাঁচা মরিচ একটু লাল হয়ে আসলে এতে করলা এবং আলু কুচি দিয়ে (যদি আলু দিতে চান) দিয়ে দিন। করলা এবং আলু দেওয়ার পর সব কিছু ভালোভাবে মিক্স করার জন্য নেড়ে দিন। তাড়াতাড়ি সিদ্ধ হওয়ার জন্য করলার পাতিলের উপর ঢাকনা দিয়ে দিন। পাতিলের ঢাকনা দেওয়ার পর মাঝে মাঝে ঢাকনা খুলে করলা নাড়তে থাকুন। তবে করলা যদি খুব বেশি নাড়েন তাহলে করলা ভাজি একটু তিক্ত হয়ে যেতে পারে। খুব বেশি তেতো হয়ে গেলে ছোট বা মাঝে মাঝে করলা ভাজি খেতে চান না। তাই পরিবারের সবাইকে অথবা মেহমানের জন্য করলা ভাজি পরিবেশন করার জন্য যাতে খুব বেশি তেতো না হয় সেদিকে খেয়াল রাখুন। সেই সাথে করলা ভাজি সিদ্ধ হওয়ার আগে পর্যন্ত খুব অল্প আগুনে মানে নিবুনিবু তাপে যদি হয় তাহলে, পুড়ে যাওয়ার করলার কালার নষ্ট হওয়ার সুযোগ থাকে না। তাই কয়েক মিনিট বেশি সময় লাগলেও আস্তে আস্তে অল্প অল্প তাপে কিছু সময়পর আলতো নেড়ে করলা সিদ্ধ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। অল্প কিছু সময় পর আপনার রান্নাকৃত করলা খাওয়ার উপযোগি হয়ে যাবে এবং রান্না পুরো শেষ করে চুলা অফ করে দিন। খাবার সময় হলে সবার আগে করলা ভাজি পরিবেশন করুন তবে একটু গরম গরম করলা ভাজি খেতে ভাল লাগবে।

নিচে কমেন্টস বক্সে আর্টিকেল বিষয়ে মতামত দিন

শেয়ার করার মাধ্যমে আপনার বন্ধুদের এই আর্টিকেল বিষয়ে জানার সুযোগ করে দিন