কেমন মেয়েকে বিয়ে করবেন

জীবন সাথী নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ। তাই এই কাজটি করার আগে খুব ঠান্ডা মাথায় চিন্তা ভাবনা করে সামনে আগাতে হবে। কেননা একজন নেককার মেয়ে একজন যুবকের জন্য মূল্যবান উপহার।

যদি আপনি মনে করেন আপনার বউ উপার্জন করবে আর আপনি হাউজ-হাজবেন্ড হয়ে বাসা সামলাবেন তাহলে মেয়ের আর্থিক অবস্থার উপর গুরুত্ব দিবেন। এমন মেয়ে বিয়ে করবেন যে বাইরে উপার্জনের কাজে এত বেশি ব্যস্ত যে বাসায় আর কিছু করার সুযোগ তার নেই। তখন সে দায়িত্বটা আপনি নিবেন।

যদি মনে করেন দুজনের উপার্জনের সংসার চলবে, যাকে শ্রদ্ধা করতে পারবেন, যার শিক্ষাগত যোগ্যতা আছে, যাকে আপনি দায়িত্বশীল মনে করবেন তাহলে তাকে বিয়ে করবেন।

আর যদি আপনি চান আপনার বউ ঘর সামলাবে তাহলে, ঘরোয়া মেয়ে, যার চাকরি-বাকরি করার ইচ্ছা নাই- সে রকম মেয়ে বিয়ে করবেন।

আবার ধরুন আপনার চাকরিজীবী পরিবার, আপনি যদি ব্যবসায়ী পরিবারে বিয়ে করেন তাহলে আপনার মানিয়ে চলতে কস্ট হবে। কারণ আপনি আপনার স্ত্রীকে সেভাবে কেনাকাটা করে দিতে পারবেন না যেভাবে সে ব্যবসায়ী পরিবারে পেয়ে এসেছে। আর তখনি অশান্তি শুরু হবে।

তবে সবসময় বিয়ের ক্ষেত্রে সম-সামাজিক সম-আর্থিক ও সম- সাংস্কৃতিক পরিমন্ডলকে বেছে নেবেন। কারণ বাস্তব জীবন অনেক কঠিন। আর একজন মানুষ যে সাংস্কৃতিক পরিমন্ডলে বড় হয়, সেখান থেকে তার বেরিয়ে আসা কঠিন। যেমন, আপনি রক্ষনশীল পরিবারের লোক, কিন্তু বিয়ে করে ফেললেল একজন সঙ্গীতশিল্পীকে। আপনারা দুজনেই ভালো মানুষ, কিন্তু সংসারে শান্তি থাকবে না- সারাক্ষন কাটাকাটি মারামারি হতেই থাকবে।

মনে রাখবেন শুধু চেহারা দেখে, কথা শুনে বা রুপ দেখেই মুগ্ধ হয়ে যাবেন না। তাহলে আপনাকে পস্তাতে হবে। কারণ যারা সুন্দরী, তাদের সৌন্দর্যের অহংকার মেটানোর জন্যে আপনাকে আরো ওপরে উঠতে হবে। অতএব চেহারা দেখে নয়, সবসময় গুন দেখে বিয়ে করবেন- সে ভালো মানুষ কিনা। এব্যাপারে নবীজী (স) খুব সুস্পস্টভাবে বলেছেন, কোন নারীকে চারটি যোগ্যতার জন্যে বিয়ে করা যায়। বংশমর্যাদা, ধনসম্পত্তি বা আর্থিক অবস্থা, রুপ এবং তার দ্বীনদারিতা। এর বাইরে অন্য কোন বিবেচনায় বিয়ে করলে আপনি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।

নিচে কমেন্টস বক্সে আর্টিকেল বিষয়ে মতামত দিন

শেয়ার করার মাধ্যমে আপনার বন্ধুদের এই আর্টিকেল বিষয়ে জানার সুযোগ করে দিন