কিভাবে দম সাধনা করবেন

সুস্বাস্থ্য একজন মানুষের সবচেয়ে বড় সম্পদ। আর এ সুস্বাস্থ্যের অন্যতম প্রধান ভিত্তি দম। আমরা বলতে পারি, দম হচ্ছে জীবনের মূল ছন্দ। খাবার ছাড়া আপনি বেশ কিছুদিন বাঁচতে পারবেন, পানি ছাড়াও দিন কয়েক বাচা সম্ভব। কিন্তু দম ছাড়া অর্থাৎ অক্সিজেন ছাড়া আপনি বড় জোর পাঁচ মিনিট বাঁচতে পারেন, এর বেশি নয়। আর এই দম সাধনার বিষয়। 


Related Post: কিভাবে কথা কম বলা যায়


আমরা জানি দমের মূল অক্সিজেন। এ অক্সিজেন আমাদের দেহের জৈব- তড়িৎ  ভারসাম্য নিয়ন্ত্রন করে, আর খাবারের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয় দেহের  জৈব –রাসায়নিক ভারসাম্য। অর্থাৎ শরীএর সার্বিক অবস্থা স্বাভাবিক রাখার জন্যে খাবারের পাশাপাশিও দমও সামান গুরুত্বপূর্ন। তাই কিভাবে দম সাধনা করবেন তার সহজ পদ্ধতি এই পোস্টে আলোচনা করা হয়েছে। 

সাধারনত আমরা দুভাবে দম নিয়ে থাকিঃ-

  • ওপর পেটে দমঃ 

স্বাভাবিক অবস্থায় আমাদের দম নেয়ার সহজাত পদ্ধতি হলো এই এব্দোমিনাল ব্রিদিং। কিন্তু এভাবে দম নিলে ফুস্ফুস পূর্ণমাত্রায় প্রসারিত হতে পারে না। ফুসফুস বঞ্চিত হয় পর্যাপ্ত অক্সিজেন থেকে। যার ফলে অধিকাংশ মানুষই আমরা পূর্ণ কর্মশক্তি ও প্রাণ-চঞ্চলতা নিয়ে কাজ করতে পারি না।

  • বুক ফুলিয়ে দম: 

এভাবে দম নিলে ফুসফুস পূর্ণমাত্রায় প্রসারিত হতে পারে। প্রচুর পরিমানে অক্সিজেন ফুসফুসে প্রেবেশ করে। ফুসফুস কাজ করতে পারে তার পুরো কর্মক্ষমতা নিয়ে।ফলে ক্লান্তি দূর হয় নিমিষেই এবং শরীর-মন সারাদিন প্রফুল্ল থাকে। এটাই দম নেয়ার সবচেয়ে সঠিক পদ্ধতি।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, শ্বসনতন্ত্রের অনেক অসুখের কারন হলো, সঠিকভাবে দম নিতে না পারা। দুঃখজনক হলেও সত্যি, আমরা অধিকাংশই মানুষই এ ব্যাপারে উদাসীন। তাই কিভাবে দম নিলে সুস্থ থাকা যায় তা জানা আমাদের জন্য জরুরি। সঠিকভাবে দম নেয়া তখনই হবে- যখন আপনি নাক দিয়ে দম নেবেন, আপনার বুক ফুলবে এবং ফুসফুস প্রসারিত হবে পূর্ণমাত্রায়। এভাবে দম নিলে সারাদিন আপনি থাকবেন কর্মোদ্যমী ও প্রানবন্ত। তাই যখনই পারেন, সচেতনভাবে বুক ফুলিয়ে দম নিন। দম সাধনার এই পদ্ধতি অবলম্বন করে দম নিলে আপনি আপনার সুস্থতার পথে আরো অনেক ধাপ এগিয়ে যাবেন।


Related Post: কিভাবে অন্যের সমালোচনা করবেন


নিচে কমেন্টস বক্সে আর্টিকেল বিষয়ে মতামত দিন

শেয়ার করার মাধ্যমে আপনার বন্ধুদের এই আর্টিকেল বিষয়ে জানার সুযোগ করে দিন