কীভাবে ফেসবুকে মেয়ে পটানো যায়

ফেসবুকে মেয়ে পটানোর প্রক্রিয়া খুব সহজ। শুধু মাথায় রাখতে হবে সব মেয়েকে আপনি পটাতে পারবেন না। আর সবাইকে পটানো আপনার কাজও না। আপনার কাজ হচ্ছে কয়েক জনের মধ্য থেকে বাছাই করে আপনার সাথে যায় এমন একজনকে নির্বাচন করা এবং তার সাথে সম্পর্ক স্থাপনের জন্য এগিয়ে যাওয়া। তবে কখনোই একসাথে একাধিক মেয়ের সাথে ফেসবুকে মেয়ে পটানোর কৌশল প্রয়োগ করে মেয়েদের পটানোর চেষ্টা করা ঠিক না। যদি আপনি একাধিক মেয়ের সাথে ফেসবুকে মেয়ে পটানোর জন্য চ্যাটিং করে তাদের প্রত্যেকেই পটিয়ে প্রেমের জালে পেলেন তাহলে এটি প্রতারনার শামিল হবে এবং আপনার ভাগ্যেও তেমন মেয়েই পড়বে। তাই আমাদের প্রত্যেকের এই এক জায়গায় নীতিগত ভাবে পরিষ্কার থাকতে হবে, যে যতই আমরা ফেসবুকে মেয়ে পটানো কথা বা মেসেঞ্জারে মেয়ে পটানোর কৌশল জানি আমাদের একাধিক মেয়েদের সাথে সম্পর্ক স্থাপন থেকে বিরত থাকতে হবে। তবে আপনি সিংগেল আছেন বা আপনাদের ব্রেকআপ হয়ে গেছে তাহলে আপনারা নতুন সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করতে দোষ নেই।


Releted Post: কেমন মেয়েকে বিয়ে করবেন


আমাদের পরিচিত অপরিচিত বা ফেসবুকে- মেয়েদের পটানোর জন্য খুব ধীরে সুস্থে সামনে আগাতে হবে এবং কোন ধরনের তড়িঘড়ি বা অস্থিরতা প্রকাশ না করে আমি যেভাবে এই আর্টিকেলটিতে ফেসবুকে মেয়ে পটানোর কৌশল সম্পর্কে বর্ননা করেছি ঠিক সেভাবে পদক্ষেপ নিয়ে সামনে আগাতে হবে তাহলে ফেসবুকে মেয়ে পটানো আপনার জন্য কোন ব্যাপারই হবে না। কেননা বাস্তবতা হচ্ছে মেয়েরা আসলে সম্পর্ক করার জন্য, প্রেম করার জন্য, বিয়ে করার জন্য ছেলে খুঁজে পাচ্ছে না। না, ভুল বললাম, ছেলে খুঁজে পায় কিন্তু উপযুক্ত ছেলে খুঁজে পায় না। তাই তারা সম্পর্ক স্থাপনের জন্য সামনে আগায় না। আমরা নিজেদের যেমন ভাবি মেয়েরা কিন্তু আমাদের সাথে সম্পর্ক স্থাপনের আগে তার থেকে অনেক বেশি কিছু ভাবে এবং এনালিসিস করে। তারা তার সাথেই থাকতে চায় যে ছেলে তার দায়িত্ব নিতে পারবে এবং তাকে চিরস্থায়ী সুখের আশ্বাস দিতে পারবে।

তাই সব দিক বিচার বিশ্লেষন করলে এক কথায় বলা যায় মেয়ের কোন অভাব নেই অভাব হচ্ছে দায়িত্ব নেয়ার মত উপযুক্ত ছেলের। সেজন্য ফেসবুকে মেয়ে পটানোর সহজ উপায় জানার আগে নিজেকে প্রশ্ন করুন আসলে ফেসবুকের মেয়ে পটিয়ে আপনি কি করবেন? ফটকা বাজী? প্রেম? এসবের জন্য আপনি কতটুকু প্রস্তুত?

যদি আপনি বলেন এসব প্যাচাল বাদ দিন, এত কিছু ভাবার টাইম নাই, আমি ফেসবুকে মেয়ে পটানোর টিপস জানতে চাই তাহলে সোজা নিচের বাকি আর্টিকেলটি শেষ পর্যন্ত পড়ে ফেলুন।

১। স্মার্ট ফেসবুক প্রোফাইলঃ

ফেসবুকে মেয়ে পটানোর আগে আপনার ফেসবুক প্রোফাইলে কিছু ঘষামাজা করতে হবে। স্মার্ট ফেসবুক প্রোফাইল তৈরি করতে হবে।প্রোফাইল স্মার্ট করার জন্য যে পদক্ষেপগুলো নিবেন তা নিচে দেয়া হল। এছাড়া স্মার্ট প্রোফাইলের উদাহরন দেখতে লেখকের ফেসবুক আইডি ভিজিট করুন।

  • স্মার্ট ফেসবুক প্রোফাইলের জন্য প্রথমেই দরকার একটি স্মার্ট প্রোফাইল পিকচার ও কভার ফটো। প্রোফাইল পিকচার দেখেই যে কেউ প্রথম সিদ্ধান্ত নিবেন এই প্রোফাইলে সে ভিজিট করবে নাকি ভিজিট করবে না। তাই প্রোফাইল পিকচার স্পষ্ট, ভালো ক্যামেরায় তোলা এবং দেখতে সুন্দর হওয়া বাঞ্জনীয়। কভার ফটোতে ভাল একটি গ্রুপ ছবি দিতে পারেন, চাইলে কভার ফটো স্ট্যাটাস দিতে পারেন। তবে যে ছবিই দেন খেয়াল রাখতে হবে কভার ফটো যাতে প্রফাইল পিকচারের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয় এবং দেখতে দৃষ্টিনন্দন হয়।
  • টাইমলাইনে যদি যা ইচ্ছা তাই শেয়ার করেন এবং উদম গায়ের ছবি, ন্যাংটা কালের ছবি, অশ্লীল ছবি পোস্ট করেন তাহলে এই টাইমলাইন দেখে আপনার বিষয়ে অন্যরা বিরুপ ধারনা পোষন করবে। তাই যা ইচ্ছা তা পোস্ট বা শেয়ার না করে স্মার্ট ফেসবুক স্ট্যাটাস দিন অথবা মজার ফেসবুক স্ট্যাটাস দিন। সেই সাথে মনে রাখবেন অত্যাধিক পোস্ট না করে গুনগত ২/৩ টি পোস্টই যথেষ্ট। মূল কথা আবর্জনা দিয়ে টাইমলাইন ভরিয়ে রাখবেন না, ভরা থাকলে দ্রুত আগাছা পরিষ্কার রাখুন।
  • ফেসবুক প্রোফাইল স্মার্ট করার জন্য একটি আকর্ষনীয় বায়ো লিখা অত্যন্ত কার্যকরি। বায়ো যত সহজ সাবলীল হয় ততো ভাল এবং এর সাথে আপনার ব্যক্তিত্বের মিল রাখুন। ফালতু বায়ো দিবেন না। আমি একটু ত্যাড়া, আমি এমনি, এসব বায়ো থকলে এখনি পানি দিয়ে প্রোফাইল ধুয়ে নিন।
  • আপনার নিজের সম্পর্কে ঘুচিয়ে যত ধরনের তথ্য আছে সেসব দিয়ে আপনার এবাউট পেজ ফিলাপ করুন। যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পড়াশুনা করেছেন বা করছেন তার বিস্তারিত সত্যিকারের তথ্য দিন। কোন ফেইক তথ্য দেয়া মানে নিজের সাথে নিজে প্রতারনা করা।
  • আপনার বন্ধুদের যে কোন ছবিতে লাইক দিন তাহলে তারাও আপনার ছবি বা ফেসবুক স্ট্যাটাসে লাইক দিবে এতে মেয়েটির কাছে আপনার ইম্প্রেশন বাড়বে।
  • যদি কোন অশ্লীল পেজ, ভিডিও, ছবিতে লাইক কমেন্ট শেয়ার করে থাকেন তাহলে দ্রুত সেগুলো আনলাইক করুক এবং শেয়ার করলে ডিলিট করুন। ভাল কিছু পেজে লাইক দিয়ে রাখুন।

২। কানেক্ট, পরিচিত বা বন্ধু হওয়াঃ

যাকে পটাতে চান তার সাথে যদি ফেসবুকে এডই না থাকেন তাহলে তাকে পটানো যাবে কি? তাই যাকে পটাতে চান তার সাথে আপনাকে কানেক্ট হতে হবে। বিভিন্ন ভাবে আপনি ফেসবুকে কানেক্ট হয়ে বন্ধুত্বের আহ্বান করতে পারেন।

  • ফেসবুকে ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট পাঠানোর মাধ্যমে আপনি কারো সাথে কানেক্ট হতে পারেন। আবার ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাওয়ার উপায় প্রয়োগের মাধ্যমে আপনি নিজেই ফ্রেন্ড বাড়াতে পারেন। সাধারনত প্রোফাইল সুন্দর হলে যে কেউই আপনার পাঠানো রিকোয়েস্ট গ্রহন করবে। তাই যাকে যাকে পছন্দ তাদের আগে বন্ধু বানান।
  • মেসেঞ্জারে মেসেজ পাঠানোর নিয়ম মেনে যদি আপনি মেসেঞ্জারে কোন মেয়েকে নক দেন তাহলেও আপনি কোন মেয়ের সাথে কানেক্ট হতে পারবেন। যদিও এখানে একটি ব্যাপার থাকে যদি মেয়েটি আপনার মেসেজ না দেখে বা দেখেও ইগনোর করে তাহলে আপনি তার সাথে এড হতে পারবেন না। তবে মেসেঞ্জারে মেয়ে পটানোর সঠিক নিয়ম মেনে যদি প্রথম মেসেজটি সুন্দর করে লিখতে পারেন তাহলে মেয়েটি আপনাকে অবশ্যই এড দিবে। কেউ কেউ এক্ষেত্রে ব্যতিক্রমও হতে পারে। এমন হলে অন্য কাউকে নক দিন। যদিও মেসেঞ্জারে ইমোজির সঠিক ব্যবহার, নববর্ষের শুভেচ্ছা পাঠানো এসব খেয়াল করে নক দিতে পারলে মেয়েটি আপনাকে অবশ্যই এড দিবে।

৩। ফেসবুকে মেয়ে পটানোর উপায়ঃ

ফেসবুকে মেয়ে পটানোর জন্য দরকার একটু টাইম। আমরা অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই অস্থির হয়ে যাই মোবাইল নাম্বারের জন্য অথবা দেখা করার জন্য। এর ফলাফলে মেয়েটি টুক করে আমাদের ব্লক করে দেয়। তাই যে সব বিষয় মাথায় রেখে আপনাকে ফেসবুকে মেয়ে পটানোর জন্য আগাতে হবে সেগুলো তুলে ধরা হলো-

  • ফেসবুকে মেয়ে পটানোর উপায় প্রয়োগের আগে মেয়েটির প্রোফাইল দেখে মেয়েটির প্রকৃতি সম্পর্কে ধারনা রাখতে হবে। কারণ মেয়েতির ধাচ না বুঝলে দেখবেন ভাল কথা বললেও খারাপ হয়ে যাবে।
  • অপরিচিত মেয়ে হলে সবার প্রথম কাজ হল সেই মেয়েটির সাথে পরিচিত হওয়া। পরিচিত হওয়ার জন্য খুব অস্থির না হয়ে শুরুতে নিয়মিত কয়েক সপ্তাহ তার ছবিতে লাভ রিয়েক্ট দিন, স্টোরি দিলে ওয়াও রিয়েক্ট দিন। চেষ্টা করুন এড হওয়ার প্রথম কয়েক সপ্তাহের মধ্যে কোন কমেন্ট বা মেসেজ না পাঠানোর। সেই সাথে আপনি আপনার প্রফাইলে সুন্দর সুন্দর ছবি আপ দিতে থাকুন। দেখবেন মেয়েটি আপনাকে লাইক, রিএকট দেয়া শুরু করেছে। অনেক উত্তেজিত এবং আবেগপ্রবন তরুণ নিজেকে ঠিক রাখতে না পেরে ফেসবুকে মেয়েদের ছবি দেখে কমেন্ট করার জন্য পাগল হয়ে যায়। সাবধান অপরিচিত হলে অন্তত ২ সপ্তাহ তাকে কমেন্ট ও মেসেঞ্জারে নক দিবেন না। লাইকের মাধ্যমে আপনার অস্তিত্ব প্রমান করবেন। তবে মেয়েটি যদি কোন কারনে নক বা কমেন্ট করে তাহলে তার সুন্দর জবাব দিবেন। মেয়েটি যাতে আপনার কোন কর্মকান্ডে কোন ভাবে বিরক্ত না হয় এবং এটি বুঝতে না পারে যে আপনি তাকে পটাতে চান এবং তার সাথে ছোট ছোট পদক্ষেপে সামনে আগাতে হবে।
  • এবার আপনি মেয়েটির বিভিন্ন পোস্টে কমেন্ট করা শুরু করতে পারেন। তবে কখনোই এক সাথে সব গুলা পোস্টে কমেন্ট করতে যাবেন না। আজ বা গত কালের মধ্যে পোস্ট করার কোন ছবিতে কমেন্ট করুন। কমেন্ট করার সময় ফেসবুক মজার কমেন্ট করবেন নাকি সিরিয়াস টাইপ কমেন্ট করবেন সেটি মেয়টি অন্যদের সাথে কোন কমেন্টের জবাবে কি উত্তর দিয়েছে সেটি দেখে বুঝতে পারবেন। তবে কমেন্ট করার সময়- Nice, Awesome pic, Beautiful pic, Nice Dp, Imoji ইত্যাদি না দিয়ে এক বা দুই বাক্যের সত্যিকার কমেন্ট করুন। দুই দিন বা একদিন বাদে তার সব ছবিতেই কমেন্ট করা শুরু করে দিন। মানে মাঝে মাঝে আরকি। এমন কোন কমেন্ট করবেন না যাতে সে বিরক্ত হয় এবং আপনাকে আনফ্রেন্ড করে। তাই যাই করবেন বুঝে শুনে করবেন। আমি একটি কমেন্টের উদাহরন দিচ্ছি- বাহ, নীল কালারেতো আপনাকে ভালই মানিয়েছে।
  • যদি দেখেন লাইক, কমেন্ট প্রক্রিয়া খুব ভালই চলছে তাহলে এত দিনে মেয়েটি নিজেই আপনাকে নক দেয়ার কথা আর যদি নক নাও দেয় তাহলে আপনার সময় হয়েছে তাকে নক দেয়ার। তবে প্রথম নকটা দিবেন মেয়েটির আপলোড করা কোন ছবি, স্ট্যাটাস বা কমেন্টের রিপ্লাই। অর্থাৎ আলোচনা আপনি কমেন্ট বক্স থেকে মেসেঞ্জারে নিয়ে যাবেন। অল্প অল্প করে তার সাথে মজার একটা সম্পর্ক দাঁড় করান। তার ব্রেনে আপনার নাম এবং আপনার ছবি এমন ভাবে গেথে যেতে দিন যাতে সে অন্তত ফেসবুকে আসলে একবার হলেও আপনাকে নক করে। তবে এই অবস্থায় আসার জন্য ফেসবুকে মেয়ে পটানোর sms, ফেসবুকে মেয়ে পটানো কথা, ফেসবুকে মেয়ে পটানো চ্যাট, মেসেঞ্জারে মেয়ে পটানো চ্যাট ইত্যাদি প্রয়োগ করে চ্যাটিং করতে হবে। চ্যাটিং করার সময় খুব সাবধানে এমন ভাবে কথা বলতে হবে যাতে মেয়েটি নিজেকে গ্রেটফুল ফিল করে এবং চ্যাটিংয়ে যত কথাই বলবেন সব কথা তার বিষয়েই বলবেন, তবে অতিরঞ্জন করবেন না। তাতে হিতে বিপরীত হবে পারে। এভাবে তিন মাস অন্তত চ্যাটিং করে যান তাহলে মেয়েটি আপনার ফোন নাম্বার চাইবে, না হয় ফেসবুকে অডিও কল দিবে না হয় আপনাকে প্রফোজ করবে, না হয় দেখা করার কথা বলবে। আপনি বলতে পারেন তিন মাস তো অনেক সময় আমি তিন দিনেই অনেক মেয়ে পটিয়েছি। আমি বলবো যেটা তিন দিনে পটে যায় সেটা আবার তিন দিনেই চলে যায়। তাই সময় নিন, আস্তে আস্তে সামনে আগান। মনে মনে নিজেকে বলুন ধীরে ধীরে আগাও মাঝি।
  • মেসেঞ্জারে মেসেজ পাঠানোর আগে চিন্তা করে মেসেজ পাঠাবেন, সচেতন থাকবেন, দ্রুত রেগে যাবেন না বা উত্তেজিত হবেন না। কারণ যার পিছনে এত দিন টাইম দিলেন এক কথায় এই টাইম গুলো নস্ট হতে দিবেন না।
  • সম্পর্কের ধরন যদি সুবিধাজনক দেখেন তাহলে টার্গেট রাখবেন তার মোবাইল নাম্বার, ইমো নাম্বার, হোয়াটসেপ ইত্যাদি সব কিছুতে আস্তে আস্তে কানেক্ট হতে। তাহলে রাগের বশে একটাতে ব্লক দিলেও অন্য মাধ্যমে তাকে খুঁজে পাবেন।

৪। ধৈর্য্য ধারনঃ

এই প্রক্রিয়া অনুসরনের পরেও যদি সুবিধা না করতে পারেন তাহলে সবুর করুন, সময় দিন, বিভিন্ন ভাবে ট্রাই করুন, দরকার হয় এক সাথে একাধিক মেয়েকে ট্রাই করুন (যদিও এতা ঠিক না) এবং ভালো করে চিন্তা করুন কি করা যায়।

যদি বিভিন্ন ভাবে ফেসবুকে মেয়ে পটানোর টিপস প্রোয়োগের পরেও ফেসবুকে মেয়েদের পটাতে না পারেন তাহলে আমাকে ইনবক্স করুন আমি আপনার প্রোফাইল দেখে কোথাও অসুবিধা আছে কিনা বা আপনার সিচুয়েসন অনুযায়ি পরামর্শ দিব।  


Releted Post: কিভাবে ফেসবুকে মেয়েদের ইমপ্রেস করা যায়


 

নিচে কমেন্টস বক্সে আর্টিকেল বিষয়ে মতামত দিন

শেয়ার করার মাধ্যমে আপনার বন্ধুদের এই আর্টিকেল বিষয়ে জানার সুযোগ করে দিন